দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনাল চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বে-টার্মিনাল চালু হলে বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়বে এবং মাদার ভেসেল প্রবেশে জোয়ার-ভাটার নির্ভরতা ও নাব্য সংকট দূর হবে। এতে বন্দরের সামগ্রিক জট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব হবে।
মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে জাহাজের গড় টার্নঅ্যারাউন্ড সময় ছিল ২ দশমিক ৫৮ দিন। শাহজাহান চৌধুরী কলম্বো ও সিঙ্গাপুরের তুলনায় এ সময় তিনগুণ বেশি কেন জানতে চান।
জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, কলম্বো ও সিঙ্গাপুর মূলত ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট। সেখানে কেবল বড় জাহাজ থেকে কনটেইনার নামিয়ে ছোট জাহাজে তোলা হয় এবং কাস্টমস পরীক্ষা বা ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন পড়ে না। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দর মূলত ফিডার পোর্ট। এখানে কাস্টমস এক্সামিন ও ক্লিয়ারেন্সসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয় বলে টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কিছুটা বেশি হয়। তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রান্সশিপমেন্ট কনটেইনারের পরিমাণ খুবই কম এবং আমদানি-রপ্তানি কনটেইনারের প্রায় শতভাগই দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত হয়।
মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জাহাজ ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন এবং বন্দর ব্যবস্থাপনা আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের গড় সময় ইতোমধ্যে কমেছে এবং ভবিষ্যতে আরও কমবে বলে আশা করা যায়।
তিনি আরও জানান, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের পাশাপাশি বে-টার্মিনাল চালুর মাধ্যমে বন্দরের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
এমএম/